Skip to content

ছাগলের দুধের উপকারিতা ১২ টি

ছাগলের দুধের উপকারিতা কি কি? ছাগলের দুধে কি ভিটামিন আছে? ছাগলের দুধ কোন রোগের প্রতিষেধক? ছাগলের দুধ কি আপনার শিশুর জন্য নিরাপদ? আপনি কখন বাচ্চাকে ছাগল দুধ দেওয়া শুরু করতে পারেন?
ছাগলের দুধের উপকারিতা কি কি?
ছাগলের দুধে কি ভিটামিন আছে?
ছাগলের দুধ কোন রোগের প্রতিষেধক?
ছাগলের দুধ কি আপনার শিশুর জন্য নিরাপদ?
আপনি কখন বাচ্চাকে ছাগল দুধ দেওয়া শুরু করতে পারেন?

ছাগলের দুধের উপকারিতা?  ছাগলের দুধে কি ভিটামিন আছে?  ছাগলের দুধ কোন রোগের প্রতিষেধক?

ক. ছাগলের দুধের উপকারিতা কি কি?


ছাগল দুধের বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে। পুষ্টির দিকটা বিবেচনা করলেও দেখা যাবে, গরুর দুধের তুলনায় ছাগলের দুধের রয়েছে অনেক বেশি উপকারিতা।

(১) হার্ট ভালো রাখে:

কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকায় ছাগলের দুধ হার্টের জন্য বেশ উপকারি। এটি লাল রক্ত ​​কোষকে শক্তিশালী করে, পাশাপাশি লিভার এবং স্নায়ু কোষ বিপাকের উদ্দীপনা ধারণ করে।

(২) ছাগলের দুধের পুষ্টিগুণ মায়ের দুধের কাছাকাছি:

গবেষণায় জানা যায় ছাগলের দুধের পুষ্টিগুণ মায়ের দুধের কাছাকাছি। কারণ, শিশু খাদ্য হিসেবে ছাগলের দুধের ফর্মুলা গরুর দুধের পরিপূর্ণ বিকল্প হলেও একজন শিশুর চাহিদা বা প্রয়োজন একজন বয়স্ক লোক কিংবা একজন বালকের তুলনায় ভিন্ন।একটি শিশুকে যদি একমাত্র খাবার হিসেবে কেবল ছাগলের দুধ দেয়া হয়, তাহলে এর মধ্যে বিদ্যমান প্রোটিনকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিশুর নবগঠিত কিডনীর জন্যে দুষ্পাচ্য মাত্রার প্রোটিন নেই।

(৩) ছাগলের দুধে এলার্জি প্রবণতা কম:

গরুর দুধ যে বাচ্চাদের সবচাইতে বেশি এলার্জি ঘটায়। গরুর দুধের প্রতি শিশুদের এলার্জি নিয়ে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৯৩ ভাগ শিশু ছাগলের দুধ খেতে পারে কোনরকম এলার্জি প্রতিক্রিয়া ছাড়াই।

(৪) উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ:

গরুর দুধের তুলনায় ছাগলের দুধ বেশি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। ক্যালসিয়াম আপনার হাড়ের জন্য ভাল।

(৫) ত্বকের যত্নে ছাগলের দুধ উপকারি:

ত্বকের যত্নে এই দুধ অনেক বেশি উপকারী। ছাগলের দুধে ভিটামিন এ রয়েছে যার ফলে আপনার ত্বক মসৃণ এবং সুস্থ করে তোলে। এটি ত্বকে অন্য যে কোনও পণ্যের তুলনায় সেরা কোমলতা এবং কোমলতা সরবরাহ করে, কারণ এটিতে উচ্চ মানের মানের ক্ষারযুক্ত প্রোটিন রয়েছে যা যতক্ষণ সম্ভব ত্বকের পুনরুজ্জীবন বজায় রাখে, তাই এটি ত্বকের শুষ্কতা এবং ক্র্যাকিং প্রতিরোধ করে এবং এটি এমন রোগগুলির সাথেও আচরণ করে যা হতে পারে এটি ত্বকে যেমন এক্সজিমা, দাগ এবং তুরপুনের প্রভাব, যা ত্বকে থাকে এবং এটি সমস্ত ধরণের ত্বকের সাথে সংবেদনশীল এবং বিরক্তিকরও হয় fits এটি শান্তের উপর ভিত্তি করে এবং ত্বকের জন্য ছাগলের দুধের সর্বাধিক উপকারিতা হ’ল চামড়াটি সহজেই শোষিত হয়, তাই সাবান শিল্পে ছাগলের দুধে প্রবেশ করে, চিকিত্সায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় ক্ষতের সামঞ্জস্য।

(৬) ছাগলের দুধ ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা:

ছাগলের দুধে ল্যাকটোজ থাকলেও গরুর দুধের তুলনায় কম এবং এর ল্যাকটোস অসহিষ্ণুতাও অনেক কম। ছাগলের দুধের অধিক ”হজমশীলতার” জন্যই এমনটা হয়ে থাকে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। ছাগলের দুধ সহজে হজম হওয়ায় সহজে বিপাক ঘটে এবং তা বেশিক্ষণ অন্ত্রে অবস্থান করে না।

(৭) ছাগলের দুধ হজম করা যায় সহজেই:

খাদ্য গ্রহণের পর যে জিনিসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো এ খাদ্য সবচে’ দ্রুততার সঙ্গে হজম করতে পারে সে বিষয়টি খেয়াল রাখা। গরুর দুধের তুলনায় সহজেই হজম হয় ছাগলের দুধ। গরুর দুধের তুলনায় ছাগলের দুধের প্রোটিনও বেশি। হজম করা অনেক সহজ। ছাগলের দুধের চর্বির দানা গরুর দুধের তুলনায় প্রায় অর্ধেক এবং এতে আছে উঁচুমাত্রার মিডিয়াম শৃঙ্খল ফ্যাটি এসিড। এ ধরনের ফ্যাটি এসিড শরীরের জন্য ভালো।

(৮) ছাগলের দুধে এলার্জি নিয়ন্ত্রণ করে:

গরুর দুধ বাচ্চাদের সবচাইতে বেশি এলার্জি সৃষ্টি করে কিন্তু গরুর দুধে এমন কী আছে যে এটি এতোটা এলার্জিপূর্ণ হবে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে গরুর দুধের প্রোটিনে। এ প্রোটিনে লুকায়িত রয়েছে এলার্জি উপাদান। ছাগলের দুধে এ অনুটির পরিমাণ গরুর দুধের তুলনায় শতকরা ৮৯ ভাগ কম। গরুর দুধের প্রতি শিশুদের এলার্জি নিয়ে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৯৩ ভাগ শিশু ছাগলের দুধ খেতে পারে কোনরকম এলার্জি প্রতিক্রিয়া ছাড়াই।

(৯) হাড়ের গঠনকে শক্তিশালী করে:
শক্ত হাড়ের গঠনের জন্য দুধের ক্যালসিয়াম উপাদানগুলি গুরুত্বপূর্ণ। গরুর দুধ এবং ছাগলের দুধ উভয়ই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, তবে ছাগলের দুধ এই শোষণের সহজ পদ্ধতিতে এই ক্যালসিয়াম গ্রহণ করে। ছাগলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হ’ল এর নম্রতা এবং তুলনায় তুলনামূলকভাবে গরু ধীরে চলমান এবং ভারী। ছাগলের দুধে জৈব জৈব সোডিয়াম নামে একটি পদার্থ থাকে। এই উপাদানটি ছাগলের চঞ্চলতায় অবদান রাখে এবং এটি মানুষের যৌথ স্বাস্থ্যকে বাড়ায়।

(১০) ছাগলের দুধে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে:
ছাগলের দুধে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য উপস্থিতি রয়েছে। ছাগলের দুধে প্রদাহ প্রতিরোধী উপাদান পাওয়া যায়। যা অন্ত্রের প্রদাহ কার্যকরীভাবে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যাদের হজমশক্তি কম যাদের জন্য ছাগলের দুধ উৎকৃষ্ট খাবার; এতে কোনো গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি বা হজম সমস্যা দেখা দেয় না।

(১১) বাড়ন্ত শিশুদের জন্য উপকারী:

প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন আয়রন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউস বলা হয়ে থাকে। উচ্চমাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকার কারণে এটি দাঁত ও হাড় মজবুত রাখে। এটি বাড়ন্ত শিশুদের দেহে পর্যাপ্ত শক্তি জোগায়।

(১২) ছাগলের দুধে কোলেস্টেরল কম:

ছাগলের দুধে কম পরিমাণে খারাপ কোলেস্টেরল থাকে এবং সাধারণভাবে সমস্ত ধরণের কোলেস্টেরলই কম থাকে। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের এবং শিশুদের উভয়েরই জন্য খুব স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়, কারণ জীবনের পরবর্তী সময়ে কোলেস্টেরল ভারসাম্যহীনতা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের মতো সমস্যার কারণ হতে পারে।

খ. ছাগলের দুধে কি ভিটামিন আছে?


এক গ্লাস ছাগলের দুধে রয়েছেঃ-
  • ১৭০ ক্যালরি
  • ১০ গ্রাম প্রোটিন
  • ২৭ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল
  • ১১ গ্রাম কার্বন
  • ৬ গ্রাম চর্বি।
  • সিলেনিয়াম, জিং, তামা, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, রাইবোফেলভিন এবং ভিটামিন এ, বি ২, সি এবং ডি রয়েছে।

গ. ছাগলের দুধ কোন রোগের প্রতিষেধক?

ছাগলের দুধে ডেঙ্গু রোগ সারে কি না, তা নিয়ে চিকিৎসক মহলে বিতর্ক আছে। চিকিৎসকেরা মনে করেন, যেহেতু ডেঙ্গুর কোনো প্রতিষেধক নেই, তাই অনেক মানুষই ভরসা রাখে ছাগলের দুধের ওপর। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা শাস্ত্রের একজন চিকিৎসকের মতে, ছাগলের দুধ সহজপাচ্য, তাই ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্তরা সহজেই এটি হজম করতে পারে। এ ছাড়া ছাগলের দুধ ডেঙ্গু প্রতিরোধেও কাজ করে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় দাওয়াই বের করেছেন দাবি করে দিল্লির আয়ুর্বেদ চিকিৎসক সুধীল ধাহিয়া বলেন, ছাগলের দুধ হালকা ও সহজপাচ্য। ফলে ডেঙ্গু থেকে দ্রুত আরোগ্যের ক্ষেত্রে এই দুধ বেশ কাজ করে। এ ছাড়া ডেঙ্গুর সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষায় ছাগলের দুধের কিছু উপকারিতা আছে।


সম্পর্কিত প্রশ্ন:-

ছাগলের দুধ কি আপনার শিশুর জন্য নিরাপদ?

দুধে ল্যাকটোজ নামে এক উপাদান থাকে। পচনতন্ত্রগুলিতে বিভক্ত হওয়ার জন্য এটি সাধারণত কোনও খাদ্য গ্রুপের অন্যতম শক্ত উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়। ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত গরুর দুধে, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হলেও এতে প্রচুর ল্যাকটোজ রয়েছে, এটি একটি শিশুর পক্ষে হজম করতে কঠিন করে তোলে। নবজাতকের শিশুর জন্য ছাগলের দুধ পুরোপুরি ল্যাকটোজমুক্ত নয়, তবে এর পরিমাণ কম রয়েছে বলে জানা যায়। তাহলে ছাগলের দুধ সোয়া দুধ, চালের দুধ বা বাদামের দুধের মতো বিকল্পগুলির চেয়ে স্বাস্থ্যকর কেন? এটিতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এটি পুষ্টিগতভাবে শিশুদের জন্য আরও ভাল। দুধ শিশুর ডায়েটের একটি অপরিহার্য অঙ্গ, কারণ দুধে পাওয়া যায় এমন পুষ্টি থেকে শিশুর শরীর বিকশিত হয়। সোয়া দুধের মতো বেশিরভাগ গরুর দুগ্ধজাত নয় এমন দুধজাত পণ্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যকর, তবে নবজাতকের বিকাশশীল শরীরের জন্য, ছাগলের দুধ গরুর দুধ বা অন্যন্য দুধের চেয়ে আপনার সন্তানের পক্ষে বেশি উপকারী হতে পারে, তাছাড়া দুধ খাওয়ানো অপরিহার্য।

আপনি কখন বাচ্চাকে ছাগল দুধ দেওয়া শুরু করতে পারেন?

এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে ছাগলের দুধ বুকের দুধ খাওয়ানোর বিকল্প নয়। এর অর্থ আপনার সন্তানের এখনও আপনার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বা বোতল খাওয়ানো দরকার। আপনাকে ফর্মুলা দুধের বদলে ছাগলের দুধ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় না। চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন যে আপনি আপনার সন্তানকে ছাগলের দুধ বা ছাগলের দুধ দিয়ে তৈরি পণ্যগুলি তার বয়স ৯ মাসের হওয়ার পর খাওয়ানো শুরু করুন। আগে দিলে যে কোনও শিশুর পুষ্টি ভারসাম্য নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

উপসংহার:

⇒ আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। এই শাস্ত্রের অনেক চিকিৎসকের মতে, ছাগলের দুধ সহজপাচ্য, তাই জ্বর আক্রান্ত রোগীরা সহজেই এটি হজম করতে পারে। এ ছাড়া ছাগলের দুধ ডেঙ্গু প্রতিরোধেও কাজ করে।

⇒ দুধ আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, ফ্যাটের যেমন উত্‍স তেমনি আবার আমাদের মেটাবলিসম প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। কিন্তু কারও কারও আবার ল্যাকটোস ইনটলারেন্স থাকে তাদের সহজে দুধ হজম হয় না। আমরা অনেকেই আবার গরুর দুধ খুব পছন্দ করলেও সেটা হজম করতে পারি না। আর এই গরুর দুধ থেকে বেশ কিছু ওষুধ যেমন তৈরি হয় তেমনি আবার এই দুধ আমাদের দেহে আয়রন এবং কপারের মতো নিউট্রিয়েন্টের শোষণে বাধা দেয়। তাই গরুর দুধের বদলে আপনি ছাগলের দুধ খেতেই পারেন। তুলনামূলকভাবে ছাগলের দুধ কম মিষ্টি, তাই এটা হজমও হয় চটপট। গরুর দুধ হজম করতে যারা সমস্যায় পড়েন, তাদের জন্য এই দুধ তাই কাজে আসে। রেগুলার মিল্কের চেয়ে দ্বিগুণ পুষ্টি ছাগলের দুধে রয়েছে। রক্তের প্লেটলেট কাউন্ট বাড়িয়ে দেয়। তাই ডেঙ্গু বা যে কোনও ভাইরাল জ্বরে সুস্থ হতে কাজে আসে ছাগলের দুধ। এতে থাকা অ্যান্টিবডি সহজেই জণ্ডিসের মতো কঠিন রোগকে সারিয়ে ফেলে। গরুর দুধ খেলে, অন্য যে কোনও খাবার থেকে আপনার শরীর সহজে আয়রন এবং কপারের মতো জরুরি মিনারেলগুলো শুষে নিতে পারে না। কিন্তু ছাগলের দুধ সহজেই সেটা পারে।

⇒ তাই ছাগলের দুধ খেলে সহজেই আপনার শরীর প্রয়োজনীয় সব মিনারেলগুলো যে কোনও খাবার থেকে নিতে পারবে। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি শরীরের সামগ্রিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ছাগলের দুধে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টি আপনার পেটের ভিতরে কোনও সমস্যাকে সহজে কমিয়ে দিতে চেষ্টা করে। এই দুধে থাকা এন্জ়াইম সাধারণত পেটের ভিতরের যে কোনও প্রদাহকেই কমিয়ে দেয়। এমনকি যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্য, অম্বল, গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন তাঁদের জন্য এই দুধ যথেষ্ট কাজে আসে। ছাগলের দুধ প্রোটিন, গুড ফ্যাট, ভিটামিন, আয়রন এবং অন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি পাওয়ারহাউস বলা যায়। এতে থাকা ক্যালসিয়াম আপনার হাড় এবং দাঁতকে শক্তিশালী করে। তাই বাড়ন্ত শিশুর বিকাশে যথেষ্ট শক্তি প্রদান করতে সাহায্য করে।

এই পোষ্টটি কেমন লেগেছে?

রেটিং দিতে স্টার এ ক্লিক করুন!

Average rating 5 / 5. Vote count: 1

No votes so far! Be the first to rate this post.

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

(চাইলে পোষ্টটি শেয়ার করতে পারেন)

Leave a Reply

Your email address will not be published.