Skip to content

 

ছাগল হিটে আসার লক্ষণ, ছাগল হিটে আসলে করণীয়, ছাগলের প্রজনন ক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ও ছাগলের প্রজনন ব্যবস্থাপনা।

ছাগল হিটে আসার লক্ষণ, ছাগল হিটে আসলে করণীয়, ছাগলের প্রজনন ক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ও ছাগলের প্রজনন ব্যবস্থাপনা।

ছাগী গরম হওয়ার লক্ষণ (Signs of heat)

বা, ছাগল হিটে আসার লক্ষণঃ

প্রথম পাল দেয়া ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর আবার পাল দিতে হবে।

  1. উত্তেজিত আচরণ প্রকাশ পায়। ভ্যা ভ্যা করে ডাকতে থাকে।
  2. যোনি মুখের চতুর্দিক লালচে বর্ণ ধারণ করে।
  3. পুনঃপুনঃ লেজ নাড়ে।

ছাগল হিটে আসলে করণীয়ঃ

  • গরম অবস্থা ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
  • তবে অনেক ক্ষেত্রে মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
  • তাই ছাগী গরম হওয়ার লক্ষণ প্রকাশের সাথে সাথে পাঁঠার নিকট নেয়া প্রয়োজন।

ছাগলের প্রজনন ক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্যঃ

১। ছাগলের ১ম প্রজননের বয়স = ১২-১৫ মাস

২। ছাগলের ১ম প্রজননের ওজন = ১৮- ২৫ কেজি

৩। ছাগলের ১ম বাচ্চা প্রসবের বয়স = ১৭-২০ মাস

৪। ছাগলের ইস্ট্রাস চক্র = ১৮- ২১ দিন

৫। ছাগলের গরমের স্থিতিকাল = ১-২ দিন

৬। ছাগলের গর্ভাবস্থা কাল = ১৪৫-১৪৮ দিন

৭। ছাগলের বাচ্চা প্রসবের মধ্যবর্তী কাল = ৮-১০ মাস

৮। ছাগলের বাচ্চা প্রসবের সংখ্যা = ১-৩

৯। ছাগলের বাচ্চা জন্ম ওজন = ১.৯- ৩.৫ কেজি

১০। ছাগলের দুগ্ধদান কাল = ১৫০-২০০ দিন

১১। ছাগলের সর্বোচ্চ শুষ্ককাল = ৩০-৪৫ দিন

ছাগলের প্রজনন ব্যবস্থাপনাঃ

◾ বাচ্চার সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দু’বার যৌনমিলন ঘটানো উত্তম। প্রথম পাল দেয়ার ২৪ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় বার পাল দেয়ার নিয়ম ।

◾ ছাগলের যৌন পরিপক্কতা ৪ থেকে ৬ মাস বয়সে হয়। তবে বাচ্চা ধারণের জন্য যথাযথ দৈহিক পরিপক্কতার সাথে ওজনও প্রয়োজন। তাই সাধারণত ১২ মাস বয়স বাচ্চা ধারণের জন্য উত্তম সময়।

◾ এ অধিকাংশ ট্রপিক্যাল ছাগল বছরের যেকোন সময়ই গরম হয়। ইস্ট্রাসের শেষ পর্যায়ে ছাগীর ডিম্বক্ষরণ হয়। তাই এ সময় যৌনমিলন ঘটানো হয়। অর্থাৎ ইস্ট্রাসের ১২ ঘণ্টা পর প্রজনন হয়।

◾ ছাগীর সাধারণত যমজ বাচ্চা হয় এবং বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বাচ্চার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।

◾ ছাগীর সর্বোচ্চ উর্বরতা ৫ থেকে ৬ বছর বয়সে হয়। একটি পাঁঠা ৩০ থেকে ৪০টি ছাগীকে সার্ভিস দিতে পারে।

Copyright Notice

কপি করা নিষিদ্ধ!