Skip to content

 

Wait...❤😘 Show love? ⬇⬇⬇

রোগীর জন্য দোয়া, কর্তব্য, সুন্নাত ও আদব সমূহ

রোগীর জন্য দোয়া, কর্তব্য, সুন্নাত ও আদব সমূহ

রোগী শুশ্রুষার সুন্নাত ও আদব সমূহ

* শুশ্রুষা করার জন্য প্রতিদিন যাবে না, দুই একদিন বিরতি দিয়ে দিয়ে যাবে। রোগীর সাথে শুশ্রুষাকারীর সম্পর্কের ভিত্তিতে এটার মধ্যে তারতম্য হবে।

* খুব জাঁক-জমকের পোশাক বা ছেড়া-ফাটা ও নোংরা পোশাক পরে শুশ্রুষা করতে যাবে না বরং স্বাভাবিক পরিষ্কার পোশাক পরিধান করে যাবে।

* দিনে রাত্রে সব সময় শুশ্রুষার জন্য গমন করা যায়।

* রোগীর হাটুর পাশে বসবে, মাথার দিকে নয়।

* রোগীর নিকট দীর্ঘ সময় থাকবে না, যাতে রোগীর কষ্ট না হয় বরং তাড়াতাড়ি চলে আসা সুন্নাত।

* রোগীর দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাবে না বরং কোমল দৃষ্টিতে তাকাবে।

* হাসি মুখে থাকবে; চেহারা মলিন করবে না।

* রোগী অচিরেই রোগ মুক্ত হয়ে যাবে, সে দীর্ঘজীবি হবে ইত্যাদি আশা ব্যাঞ্জক কথা রোগীকে শুনাবে- কোন হতাশা ব্যাঞ্জক কথা তাকে শোনাবে না।

* রোগীর কপালে বা হাতে হাত রেখে জিজ্ঞেস করবে সে কেমন আছে?

* রোগীকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করবে।

* কোন অসুবিধা নেই, আল্লাহ চাহেতো অচিরেই পবিত্রতা (সুস্থতা) লাভ হবে।

* রোগীর রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করা সুন্নাত।

* রোগীর কাছে থেকে তার রোগ আরোগ্যের জন্য সাতবার নিম্নোক্ত দোয়া পড়বে-

شاء الله اسئل الله العظيم رب العرش العظيم أن يشفيك – (ابو داود- كتاب الجنائز )

অর্থঃ মহান আরশের মালিক আল্লাহর কাছে তোমার রোগমুক্তি কামনা করছি।

* শুশ্রুষাকারী তার জন্য রোগীকে দোয়া করতে বলবে। কেননা, রোগীর দোয়া কবূল হয়।

* রোগী কিছু খেতে চাইলে এবং সেটা তার জন্য ক্ষতিকর না হলে রাসূল (সাঃ) তাকে তা দিতে বলেছেন। তবে রোগীকে কোন কিছু খাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করা ঠিক নয়।

* রোগীর কাছে থেকে সাতবার নিম্নোক্ত দোয়া পড়বে-

أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد ومن شرما أحاذر ۔ (احکام میت )

অর্থঃ আল্লাহ্ মাহাৱ ও কুদরতের কাছে পানাহ চাচ্ছি- যে কষ্টে আমি আছি তার অনিষ্ট থেকে এবং যার ভয় আমি পাচ্ছি তার অনিষ্ট থেকে।

রোগ অবস্থায় রোগীর যা যা করণীয়

* রোগকে আল্লাহর নেয়ামত মনে করবে; কেননা, আল্লাহ পাক যাকে ভালবাসেন তাকেই কোন বিপদ দিয়ে থাকেন। তবে রোগ মুক্তির জন্য চিকিৎসা করা বা দোয়া করা এ ধারণার পরিপন্থী নয়। কারণ, রোগমুক্তি এবং নিরাপদ থাকাও আল্লাহর একটি নেয়ামত। দূর্বল বান্দার পক্ষে এই প্রকারের নেয়ামতই আছান।

* রোগকে গোনাহ মোচনের ওছীলা মনে করবে।

* মৃত্যুকে বেশী বেশী স্মরণ করবে। তবে মৃত্যু কামনা করা নিষেধ। একান্তই কষ্ট যন্ত্রণায় অপারগ হয়ে গেলে নিম্নোক্ত দোয়া করা যায়-

اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي وتوفني إن كانت الوفاة خيرا لی۔

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! যতক্ষণ আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর, ততক্ষণ তুমি আমাকে জীবিত রাখ। আর যদি মৃত্যুই আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে (ঈমানের সাথে) আমার মৃত্যু ঘটাও।

* অসুস্থ অবস্থায় সমস্ত গোনাহ থেকে তওবা করবে।

* ধৈর্য ধারণ করবে।

* নিম্নোক্ত দোয়া করতে পারে-

اللهم ارزقني شهادة في سبيلك واجعل موتى ببلد رسولك –

অর্থঃ হে আল্লাহ, আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত নসীব এবং তোমার রাসূলের দেশে আমার মৃত্যু ঘটাও।

* চিকিৎসা করাবে। চিকিৎসা করানো সুন্নাত।

* যিকির, দোয়া, নামায ও তিলাওয়াত পূর্বক শেফা কামনা করবে।

* কোন কুলক্ষণ গ্রহণ করবে না।

* মিথ্যা বলবে না, যেমনঃ রোগ যতটুকু আছে তার চেয়ে বাড়িয়ে বলা ইত্যাদি।

* রোগের মাত্রা অধিক করে প্রকাশ করবে না, যেমনঃ কেউ এলে বসা থেকে শুয়ে যাওয়া কিংবা কাতরাতে থাকা ইত্যাদি। যত্ন-সেবাকারীদের প্রতি রাগান্বিত হবে না বা খাদ্য খাবারের প্রতি রাগ প্রকাশ করবে না।

* লোভ করবে না, যেমন: কিছু সাহায্য পাওয়ার আশায় আগন্তুক শুশ্রুষাকারীর পকেটের দিকে তাকানো। এরূপ করলে লোভ প্রকাশ পায়। অতএব এটা করবে না।

* রোগ যন্ত্রণায় কাতরালে যদি কষ্ট লাঘব হওয়া বোধ হয়, তাহলে তা করা যেতে পারে। তবে তা যেন আল্লাহর প্রতি অভিযোগ ও অস্থিরতা প্রকাশের রূপ না নেয়।

* অসুস্থ অবস্থায় চারশত বার দোয়ায়ে ইউনুস পড়বে। তাহলে ঐ রোগে মৃত্যু হলে শহীদের সমান ছওয়াব পাওয়া যাবে, আর সুস্থ হলে সমস্ত গোনাহ মাফ হয়ে যাবে।

* অসুস্থ অবস্থায় নিম্নোক্ত দোয়া পাঠ করলে এবং উক্ত রোগে তার মৃত্যু হলে জাহান্নামের আগুন তাকে স্পর্শ করবে না-

لا إله إلا الله والله أكبر ـ لا إله إلا الله وحده ـ لا إله إلا الله وحده لا شريك له ـ لا إله إلا الله له الملك وله الحمد ـ لا إله إلا الله ولا حول ولا قوة إلا بالله

*রোগ মুক্তির পর গোসল করা মোস্তাহাব।

মুমূর্ষ অবস্থায় রোগীর যা যা করণীয়

* মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হলে মনে আল্লাহর রহমত লাভের আশা প্রবল করা সুন্নাত।

* মুমূর্ষ ব্যক্তি জীবনের ভাল-মন্দ কার্যাবলী সম্পর্কে মনে মনে হিসাব নিকাশ ও পর্যালোচনা করবে না। কেননা, এতে মন্দের পরিমাণের আধিক্য দেখে আল্লাহর রহমত পাওয়ার আশা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

* ঋণ থাকলে তা পরিশোধ এবং নামায রোযার ফেদিয়া প্রদান বা যে কোন মালী ইবাদত অনাদায়ী থাকলে তা আদায় করার ওছিয়াত করবে। সে যদি এতটুকু সম্পদ রেখে যায় যা দ্বারা এসব আদায় করা সম্ভব, তাহলে মৃত্যুর পূর্বে এ ওছিয়াত করা ওয়াজিব। (,G,»ilez(61)

* মৃত্যুর পর জানাজা, কবর নির্মাণ, দাফন-কাফন, ঈছালে ছওয়াব ইত্যাদির ক্ষেত্রে যে সব অনিয়ম, বিদআত ও রছম পালন করা হয়, তা থেকে ওয়ারিছ ও আপনজনকে বিরত থাকার ওছিয়াত করে যাওয়া ওয়াজিব।

* পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের মধ্যে মাদ্রাসা, মসজিদ, গরীব আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদির জন্য ওছিয়াত করে যাওয়া মোস্তাহাব, যদি তার ওয়ারিছগণ এমনিতেই সম্পদশালী হয়ে থাকে বা এমন হয় যে, তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মাধ্যমে তারা অনেক ধনবান হয়ে যাবে- এরূপ ক্ষেত্রেই এরকম ওছিয়াত করে যাওয়া মোস্তাহাব। অন্যথায় এরকম ওছিয়াত না করাই উত্তম।

* মৃত্যুকে ভাল মনে করবে। কেননা, মৃত্যু দ্বারা পাপ থেকে রক্ষা ও পৃথিবীর এই কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং মৃত্যু আল্লাহর কাছে তার পৌঁছে যাওয়ার মাধ্যম।

* বেশী বেশী আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা সুন্নাত।

* মৃত্যুর জন্য মনকে প্রস্তুত করে নিবে।

* খাঁটি অন্তরে এখলাসের সাথে মৃত্যুর সময় ঈমানের উপর টিকে থাকার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকবে।

* হত্যা করা হবে বা ফাঁসী দেয়া হবে জানলে দু’রাকআত নামাযে কতল বা নিহত হওয়াকালীন নামায পড়ে নেয়া সুন্নাত।

* মৃত্যুর সময় আসন্ন বুঝলে পড়বে-

اللهم اغفر لي وارحمني والحقني بالرفيق الأعلى۔ (رواه الترمذي وقال حسن صحيح)

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে মাফ কর, আমার প্রতি রহম কর এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধুর সাথে আমাকে মিলিত কর।

এবং আরও পড়বে-

اللهم أعني على عمرات الموت وسكرات الموت ۔ (ترمذی- ابواب الجنائز)

অর্থঃ হে আল্লাহ, মৃত্যুর বিভীষিকা এবং মৃত্যু যন্ত্রণায় এই পর্যায়ে তুমি আমাকে সাহায্য কর।

মুমূর্ষ ব্যক্তির নিকট যারা উপস্থিত থাকে তাদের যা যা করণীয়

* মুমূর্ষ রোগীর পাশে সূরা ইয়াসীন পাঠ করা মোস্তাহাব। এতে মৃত্যু যন্ত্রণা হ্রাস পায়। রোগী ছোট হোক বা বড় উভয়ের ক্ষেত্রে এটা করা মোস্তাহাব।

* মুমূর্ষ রোগীকে আল্লাহর রহমত লাভের সুসংবাদ প্রদান করতে হবে, যাতে তার মনে আল্লাহর রহমত লাভের আশা প্রবল হয়।

* তার পাশে অনুচ্চস্বরে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু পড়তে থাকবে, যেন সে এটা শুনে নিজেও মুখে বা মনে মনে তা পড়তে উদ্বুদ্ধ হয়। তাকে এই কালেমা পড়ার নির্দেশ দিবে না, কেননা যন্ত্রণা এবং কষ্ট বশতঃ পড়তে অস্বীকার করে বসলে হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।

* মুমূর্ষ রোগীর নিকট থেকে হায়েয নেফাছ ওয়ালী মহিলা এবং যার উপর গোসল ফরয- এরূপ ব্যক্তিদেরকে সরিয়ে দিবে।

* মুমূর্ষ রোগীকে কেবলা মুখী করে শুইয়ে দেয়া সুন্নাত। এই কেবলামুখী দুভাবে করা যায়-

(১) চিত শোয়া অবস্থায় পা কেবলার দিকে করে এবং মাথা উঁচুতে রেখে।

(২) উত্তর দিকে মাথা রেখে ডান কাতে শুইয়ে।

তবে কেবলামুখী করতে গিয়ে রোগীর খুব বেশী কষ্ট হলে তাকে নিজের অবস্থায়ই থাকতে দিবে।

* তার নিকট সুগন্ধি উপস্থিত করবে এবং আশপাশ সুগন্ধিযুক্ত করবে কেননা, মৃত্যুর সময় ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন।

* নেককার লোকদেরকে পাশে সমবেত করবে।

* রূহ কব্‌জ হওয়া পর্যন্ত তার নিকট কুরআন পাঠ করতে থাকবে।

মৃত্যু হওয়ার পর করণীয়

* নিজের সামনে কারও মৃত্যু হলে বা কারও মৃত্যু সংবাদ শুনলে পড়তে হয় (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন) এতদসঙ্গে নিম্নোক্ত দোয়াও যোগ করা উত্তম-

وانا إلى ربنا لمنقلبون ، اللهم اكتبه عندك في المحسنين ، واجعل كتابه في عليين ، واخلفه في أهله في الغابرين ، ولا تحرمنا أجره ولا تفتنا بعدہ ۔ (کتاب الاذکار)

অর্থঃ নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! তুমি তাকে তোমার কাছে নেককারদের তালিকাভুক্ত করে নাও, তার আমলনামা ইল্লিয়্যীনে রাখ এবং তার পরিবারের যারা অবশিষ্ট রয়েছে তাদের মধ্যে তার উত্তম বদলা দান কর। আর তার প্রতিদান থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করো না এবং তার চলে যাওয়ার পর আমাদেরকে ফেতনায় ফেলোনা।

* মৃত্যু হয়ে গেলে একটা চওড়া পট্টি দ্বারা মৃতের চিবুকের নীচ দিক থেকে নিয়ে মাথার উপর গিরা দিয়ে বেঁধে দিবে।

* মৃতের চক্ষু বন্ধ করে দিবে।

* মৃতের দুই পায়ের দুই বৃদ্ধ আঙ্গুল একত্রে মিলিয়ে বেঁধে দিবে। রাখবেনা।

* মৃতের উভয় হাত ডানে বামে সোজা করে রাখবে, সিনার উপর

* একটা চাদর দিয়ে ঢেকে রাখবে।

* কোন চৌকি বা খাটের উপর মাইয়েতকে রাখবে; মাটির উপর রাখবে না।

* মৃতের পেটের উপর কোন লম্বা লোহা বা ভারি বস্তু দ্বারা চাপা দিয়ে রাখবে, যাতে পেট ফুলে যেতে না পারে।

* হায়েয নেফাছ ওয়ালী মহিলাকে মাইয়েতের কাছে আসতে দিবে না।

* সম্ভব হলে খুশবূ (আগরবাতি প্রভৃতি) জ্বালিয়ে মৃতের কাছে রাখবে।

* যথাসম্ভব লোকদেরকে মৃত্যুর সংবাদ অবগত করাবে।

* মাইকেও মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করা যায়। তবে মসজিদের মাইকে বাইরের লোকদের সংবাদ দেয়া যায় না। অবশ্য উক্ত মাইয়েতের জানাজা নামাযের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য মসজিদের মাইকে মসজিদে এ’লান করাতে বাঁধা নেই।

* মাইয়েতের জন্য এস্তেগফার করতে থাকবে।* দ্রুত দাফন-কাফন সম্পন্ন করবে। এটাই উত্তম। জানাজার নামাযে অধিক লোক হওয়ার আশায় জানাজায় বিলম্ব করবে না। এরূপ করা মাকরূহ ও অনুচিত।

* মৃতকে গোসল দেয়ার পুর্বে তার নিকট কুরআন শরীফ পাঠ করা নিষেধ। (বেহেশতী জেওর)

* আপনজনের মৃত্যু হলে এরূপ পড়বে-

إنا لله وإنا إليه راجعون – اللهم أجرني في مصيبتي واخلف لي خيرا

.অর্থঃ নিশ্চয় আমরা আল্লাহ্ই জন্য এবং অবশ্যই আমরা তাঁরই নিকট ফিরে যাব। হে আল্লাহ, আমার এই মুসীবতে তুমি আমাকে প্রতিদান নসীব কর এবং তার স্থলে তার চেয়ে উত্তম বদলা আমাকে দান কর।

* কোন ইসলামের শত্রুর মৃত্যু সংবাদে নিম্নোক্ত দোয়া পড়বে-

الحمد لله الذي نصر عبده واعز دينه ـ (كتاب الاذكار عن ابن السني)

অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করলেন এবং তাঁর দ্বীনকে শক্তিশালী করলেন।

* আপনজনের মৃত্যুতে যে কষ্ট হয় তার জন্য ছওয়াব হবে- এই আশা রাখতে হবে।

* কারও মৃত্যুতে মাতম করা, জামা কাপড় ফাড়া চেরা করা, বুক চাপড়ানো, ইনিয়ে বিনিয়ে কাঁদা, চিৎকার করে কাঁদা জায়েয নেই। মনের দুঃখে স্বাভাবিক যে চোখের পানি বা রোদন এসে যায় তা নিষিদ্ধ নয়।

* স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রী “ইদ্দত” পালন করবে। তার গর্ভ থাকলে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়া পর্যন্ত, অন্যথায় চার মাস দশ দিন পর্যন্ত এই ইদ্দত পালন করবে। এ সময়ে সে সাজ-সজ্জা এবং রূপ চর্চা থেকে বিরত থেকে শোক পালন করবে। স্বামীর মৃত্যুর সময় সে যে ঘরে বসবাস করত সেখানেই থাকবে, সেখান থেকে বের হবে না। ভাড়ার বাসা হলে ভাড়া দেয়ার ক্ষমতা থাকলে সেখানেই থাকবে। তবে নিরাপত্তার অভাব হলে নিকটতম স্থানে স্থানান্তরিত হয়ে ইদ্দত পালন করবে। এ সময়ের মধ্যে সে কারও সঙ্গে বিবাহ বসতে পারবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright Notice

কপি করা নিষিদ্ধ!