Skip to content

 

Wait...❤😘 Show love? ⬇⬇⬇

হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণঃ হাঁস-মুরগি ও ডিম বাজারজাতকরণ

হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণঃ হাঁস-মুরগি ও ডিম বাজারজাতকরণ

হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ বিষয়ক পর্বের আজকের অংশে আমারা আলোচরা করব হাঁস-মুরগি ও ডিম বাজারজাতকরণ।

কারণ যে কোন পণ্য বাজারজাত করার সফলতার উপর নির্ভর করে মুনাফা অর্জন তথা গোটা কাজের সফলতা। হাঁস-মুরগি পালন করে ছোট বাচ্চা বিক্রি করা হতে পারে, মাংসের হাঁস-মুরগি বিক্রি করা হতে পারে। কাজেই হাঁস-মুরগি বিক্রি করা হতে পারে এবং ডিম বিক্রি করা হতে পারে। সেসব বিক্রির যোগ্য দ্রব্যাদি যথাযথ নিয়মে যথা সময়ে বিক্রি করার ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

ডিম বাজারজাত করণ

সাধারণত তিন রকমের পদ্ধতিতে ডিম বাজারজাতকরন হয়ে থাকে-

(ক) হাল্কা ধরনের কাঠের বাক্সে,

(খ) বাঁশের অথবা বেতের ঝুড়িতে,

(গ) বিশেষ এক ধরনের পিচবোর্ডের ট্রেতে।

কাঠের বাক্স :

▶ সাধারণভাবে যে সমস্ত কাঠ হাল্কা ধরনের সেই সমস্ত বাক্সকে ডিম চালান দেবার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাক্সের নিচে পুরু হবে প্রথমে ১ ইঞ্চি খড়ের কুঁচি বিছিয়ে দিয়ে তার ওপরে ছিটিয়ে দিতে হয় গমের ভূষি। এই দুটি কাজ শেষ হলে প্রথম স্তরের ডিম সাজিয়ে দিতে হয়। এর পর কাঠের ট্রেতে আবার দেড় ইঞ্চি খড় বিছিয়ে ডিমকে সাজিয়ে রাখা দরকার। এইভাবে কাঠের বাক্সটি ভর্তি হচ্ছে সেই পর্যন্ত ডিমকে স্তরে স্তরে সাজিয়ে বাক্স বন্ধ করা হয়ে থাকে।

▶ দূরে কোন শহর অঞ্চলে ডিম চালান দিতে হলে এইভাবে প্যাকিং করে পাঠালে সহজে ভাঙে না। এ ছাড়াও বাক্সের ওপর বড় করে ছাপা অক্ষরে (EGGS WITH CARE) লেখা একটি লেবেল আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিলে আরও ভালো হয়। কারণ, যারা প্রয়োজনের জন্যে বাক্সটি নাড়াচাড়া করবে তারা লেবেল দেখে প্রথমেই সাবধান হয়ে যাবে। বাক্সের মাপ অনুসারে কম বেশি দুশো থেকে তিনশোটি ডিম ধরে। বাঁশের অথবা বেতের ঝুড়ি : যেখানে হাল্কা কাঠের বাক্স পাওয়া যায় না অথবা পাওয়া গেলেও দাম বেশি সেই সমস্ত জায়গায় বাঁশের বা বেতের ঝুড়িতে ডিম চালান দেওয়া হয়ে থাকে। এই ঝুড়ি বিশেষভাবে তলাটা চ্যাপ্টা করে তৈরি করা হয়-যাতে সহজে উল্টে না যায়।

▶ ঝুড়ির তলাতে প্রথমে এক ইঞ্চি পুরু কাটা খড় বিছিয়ে দিয়ে তার ওপরে ডিম সাজিয়ে দিতে হবে। নিচের স্তরে ডিম ধরবে ৪০ থেকে ৫০টি। এরপর দ্বিতীয় সারি সাজাতে হবে। অবশ্য তার আগে ডিমের ওপর এক ইঞ্চি পুরু করে কাটা খড় জড়িয়ে দেওয়া দরকার। এইভাবে প্রতি স্তর সাজিয়ে যেতে। হবে যে পর্যন্ত না ঝুড়িটি ভর্তি হয়ে যায়। মোটামুটিভাবে দেখা গেছে একটি প্রমাণ মাপের ঝুড়িতে মোট ২৫০ থেকে ৩০০টি ডিম ধরে। প্রথম স্তরে অর্থাৎ একেবারে নিচুতে ক’টা ডিম ধরবে সেকথা আগেই বলা হয়েছে। এর পর বাকী স্তরগুলোতে যথাক্রমে ৬০ থেকে ৬৫টি, চতুর্থ স্তরে ৭০টি, পঞ্চম অর্থাৎ শেষ স্তরে ৫০টি থেকে ৫৫টি ডিম সাজাতে পারা যায়।

See also  মুরগি পালনের পদ্ধতি

▶ পাঁচটি স্তর সাজানো হয়ে গেলে ওপরে আবার দু ইঞ্চি পুরু খড়ের কুঁচি এবং চট দিয়ে ভালোভাবে সেলাই করে দেওয়া দরকার। ঝুড়ির ওপরেও কাঠের বাক্সের মত লেবেল দেওয়া উচিত।

পিচবোর্ডের ট্রে :

▶ যে সমস্ত ফার্মে নিজেদের মোটর ভ্যান আছে তারা অনেক সময় কাঠের তৈরী র‍্যাকে পিচবোর্ডের খোপ করা ট্রেতে ডিম সাজিয়ে কাছে পিঠের শহরে বাজারে বিক্রি করার জন্যে নিয়ে যায়। ডিম বিক্রি হয়ে যাবার পর ঐ খালি পিচবোর্ডের ট্রে আবার ফার্মে ফেরত নিয়ে আসে। এইভাবে প্রয়োজনীয় ট্রে একবার খামারে তৈরি করিয়ে নিতে পারলে বহুদিন কাজ চলে।

হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণঃ হাঁস-মুরগি ও ডিম বাজারজাতকরণ

হাঁস-মুরগির বাচ্চা বাজারজাতকরণ

ডিমের মত হাঁস-মুরগির বাচ্চাও বিভিন্নভাবে বাজারজাত করা হয়ে থাকে। উদ্দেশ্য হলো একই, যাতে দূরে নিয়ে যাবার সময় মরে না যায় অথবা অসুস্থ হয়ে না পড়ে।

(১) ঝাঁকার করে মাথায়,

(২) বাঁকে করে কাঁধে ঝুলিয়ে,

(৩) সাইকেলে

(৪) গরু অথবা মোষের গাড়িতে,

(৫) জলপথে অথবা রেলপথে,

(৬) আকাশপথে।

ঝাঁকায় :

▶ পাতলা বাঁশের চাঁচারি দিয়ে বড় বড় গোল ঝাঁকা তৈরি করা হয়। বাচ্চা বার করার জন্যে ওপরে ৬ ইঞ্চি পরিমাণ ঢাকনা দেওয়া একটা গর্ত থাকে। এই ঝাঁকায় একশো থেকে প্রায় একশো ত্রিশটি পর্যন্ত বাচ্চা একটি লোক মাথায় করে খুব সহজেই নিয়ে যেতে পারে। তবে বেশি দূরে নিয়ে যেতে পারা যায় না। বড় জোর পাঁচ দশ মাইল পর্যন্ত। এর বেশি দূর হলে তখন বাঁকে করে কাঁধে ঝুলিয়ে নেওয়া সব থেকে ভালো উপায়।

বাঁকে :

▶ ঝাঁকায় করে মাথায় নিয়ে যাওয়ার থেকে বাঁকে সুবিধা হলো এই যে, একশো ত্রিশটির জায়গায় দুশো পঞ্চাশ-ষাটটি বাচ্চা নিয়ে যেতে পারা যায়। খামার থেকে দশ-পনরো মাইল দূরেও বাচ্চা নিয়ে গেলে কোন অসুবিধে হয় না। বাঁকে বাচ্চা নিয়ে যাবার জন্যে যে ঝুড়ি ঝোলানো হয় তাকে ‘বেহঙ্গি বলে। দেখতে অনেকটা ডালার মত গোল এবং চারপাশ ইঞ্চি ছয়েক উঁচু থাকে। প্রথমে এর ওপর খানিকটা খড় বিছিয়ে দিয়ে তারপর সূতীর অথবা নাইলনের জাল দিয়ে ভালোভাবে আটকে দিতে হয়। লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে বেহঙ্গির মধ্যে গাদাগাদি করে বাচ্চা না নিয়ে যাওয়া হয়।

সাইকেলে :

▶ একদিনের মুরগির বাচ্চাকে সাইকেলে চালান দিতে হলে বিশেষ এক ধরনের ঝুড়ি কিনতে পাওয়া যায়। এই ধরনের মোট তিনটি ঝুঁড়ি সাইকেলে নিয়ে যাওয়া চলে। তার মধ্যে দুটি হ্যাণ্ডেলে ঝুলিয়ে আর বাকী একটি থাকে কেরিয়ারে বাঁধা অবস্থায়। এই বিশেষ ধরনের ঝুড়ি বাঁশের সাহায্যে তৈরি করা হয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা বড় মাটির হাঁড়ি অথবা জালার মত। মুখটা ঢাকা থাকে জাল দিয়ে। বাঁশের তৈরি হাঁড়িতে তলায় খড় বিছিয়ে দিয়ে তবেই বাচ্চা চালান দিতে হয়।

রিক্সা/ভ্যান গাড়ি/গরুর গাড়িতে :

▶ সাইকেলে যে ধরনের ঝুড়িতে বাচ্চা চালান দেওয়া হয় গরুর গাড়িতেও ঐ একই ঝুড়িতে বাচ্চা চালান দেবার কোন অসুবিধে হয় না। তবে বেশি দূরে হলে সাথে খাবার ও জল দেওয়া দরকার। হিসেব করে দেখা গেছে পনেরোটি ঝুড়ি নিয়ে গেলেও কোন অসুবিধে হয় না। রেলগাড়িতে অথবা জলপথে এক-দু দিনের পথ যেখানে সেখানে রেলগাড়িতে অথবা স্টীমারে বাচ্চা পাঠানো হয়ে থাকে।

See also  (3 সেট) হাঁসের খাদ্য তালিকা/হাঁসের খাবার তৈরি/উন্নত জাতের হাসের খামার পরিচালনা/হাস পালন পদ্ধতি/হাঁস পালন প্রশিক্ষণ

▶ এইভাবে পাঠাতে হলে লোহার অথবা কাঠের ফ্রেম তৈরি করে তার চারদিক সরু তারের জাল দিয়ে বাক্স করে তবেই পাঠানো চলে। বাক্সের তলায় পাতলা পিচবোর্ড দিয়ে তার ওপর খড়ের কুঁচি ছিটিয়ে দেওয়া দরকার। এক কোণে থাকবে প্রয়োজনীয় খাবার এবং জল। রেলপথের থেকে জলপথে স্টীমারে পাঠালে খরচ অনেক কম পড়ে। তবে দূরে পাঠাতে পারলেই লাভটা বেশি হয়। লাভ বেশি হয় ঠিক কথা। কিন্তু সাবধানে না পাঠালে বাচ্চা মরে যাবার সম্ভাবনা খুব বেশি।

বিমানে :

▶ দেশের মধ্যে বাচ্চা চালান দিতে হলে বিমানে পাঠানো ঠিক নয়। কারণ, অকারণে বেশি ভাড়া পড়ে যায়। তবে বিদেশ থেকে কোন ভালো জাতের এবং উন্নত মানের বাচ্চা আনতে হলে তখন বিমান ছাড়া আর কোন উপায় বা গতি থাকে না। কারণ, জলপথে জাহাজে আনতে হলে কুড়ি দিন থেকে প্রায় একমাস সময় লেগে যায়।

▶ হাল্কা কাঠ দিয়ে বাক্সগুলো তৈরি করা হয়। বাচ্চা যতটা উচু হয় তার থেকে মাত্র দেড় থেকে দু ইঞ্চি উচু করা হয় বাক্সকে। যেখানে বাচ্চা থাকে অর্থাৎ বাক্সের ভেতরটা পাতলা কাঠ দিয়ে চারটি ভাগ করা থাকে। ছবিতে যেভাবে ঢাকনার ওপর ফুটো করা হয়েছে ঐভাবে ফুটো করা থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো যাতে ভেতরে বাতাস চলাচল করতে পারে। বাক্সের ভেতরেই থাকে জল এবং প্রয়োজনীয় খাবার। এক-একটি বাক্সে প্রায় ১০০টি পর্যন্ত বাচ্চা চালান দেওয়া যায়।

হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণঃ হাঁস-মুরগি ও ডিম বাজারজাতকরণ

হাঁস-মুরগি বাজারজাতকরণ

▶ ক্রয়লার মুরগি খাদ্য অনুপাতে বৃদ্ধির হার পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখিত পরিসংখ্যান চার্টে দেখা যায় ৪ হতে ৬ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধির হার সর্বাপেক্ষা বেশি। ৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার অনেকটা কমে যায়। এই হার পরবর্তী বয়সে আরো কমে যায়।

▶ বর্তমানে বিভিন্ন উন্নত দেশে খাদ্যমান বাড়ানোর ফলে ৬ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ২৩ পাউণ্ড খাদ্য ব্যবহার করে সর্ব মোট ৩.৫ পাউণ্ড পর্যন্ত ওজন বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। কম খাবার ব্যবহার করে কম সময়ে অধিক ওজন বাড়াতে পারলে লাভের পরিমান সেই হারে বৃদ্ধি পাবে। সঠিক সময়ে বাজারজাত করাটা একটি অন্যতম বিষয়।

▶ ক্রয়লার মুরগি তৈরী করে কখন কোন ব্যাচ বাজারজাত করতে হবে তার একটা ছক তৈরী করে সেই মত ব্যবস্থা নিতে হবে। উক্ত সময়ের পরে একদিন পার হওয়া মানে একদিনের খাদ্য খরচ বেশি পড়া, অথচ সেই অনুপাতে মাংস বৃদ্ধি হয় না। তাই ক্রয়লার মুরগি তৈরী করে সঠিক সময়ে বাজারজাত করা অপরিহার্য। আজকাল মুরগির ডিম বিক্রি করে যে লাভ হয় তার চার পাঁচ গুণ বেশি লাভ হয় ক্রয়লার উৎপাদনে।

See also  (৮টি) হাঁস মুরগির রোগ ও প্রতিকার pdf, হাঁস মুরগির রোগ ও চিকিৎসা, হাঁস মুরগির ওষুধ, হাঁস মুরগি পালন প্রশিক্ষণ

বাজারে আস্ত মুরগি বিক্রয় :

▶ বাজার তৈরী হওয়ার পর সরাসরি আস্ত মুরগি বাজারজাত করা যায়। কোন হোটেল অথবা এজেন্টের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মাংস বিক্রয় :

▶ মুরগির মাংস তৈরী করে বাজারজাত করা যায়। খামারে মাংস তৈরি করে বিক্রি করতে পারলে তার নাড়ি ভুড়ি, পা, ঠোট, চামড়া ও পালক প্রসেস করে মুরগির জন্য আমিষ খাদ্য তৈরী করা যায়। প্রসেস না করতে পারলেও সিদ্ধ করে ছোট করে চূর্ণ করে হাঁস মুরগিকে বা ক্রয়লার বাচ্চাকে খাওয়ানো যায়। এর ফলে খাদ্য খরচ অনেকটা কম পড়ে।

▶ ব্রুয়লার মাংস তৈরী করতে হলে প্রথমে জবাই করে চামড়া শুদ্ধ পালক তুলে ফেলতে হবে। পরে ভিতরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ যেমন ফুসফুসে, কলিজা, যকৃত, পিত্তকোষ ইত্যাদি বের করতে হবে। সাবধানে পিত্তকোষ বের করতে হয় নইলে গলে গেলে সমস্ত মাংস নষ্ট হয়ে যাবে। নাড়ি ভুড়ি আলাদা করতে হবে। পরে মাংস ও অন্যান্য অঙ্গ প্রতঙ্গ ফুটন্ত পানিতে পরিষ্কার করে ভালো করে পানি শুন্য করে পলিথিন ব্যাগে ভরে ওজন করতে হবে ও প্যাকেটের গায়ে ওজন লিখে রেফ্রিজারেটর অথবা ঠান্ডা ঘরে রাখতে হয়। প্রয়োজন মত সেখান থেকে বিক্রি করা যায়।

▶ ক্রয়লার মুরগি বাজারজাত করার ২ সপ্তাহ আগে খাবারের মধ্যে হরমন মিশিয়ে দিতে হয়। তার ফলে গায়ে চর্বি বাড়ে এবং ওজনও বেশি হয়। অনেক সময় ডাই-ইথাইলষ্টিল বেষ্টবল ছোট্ট চাকতি মুরগির চামড়ার তলায় ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। খাদ্যের সাথে ডাইএনষ্টেরল ডাই এসিটেড হরমন প্রতি ৫০০ গ্রাম খাদ্যে ৩০ মিলিগ্রাম হারে মিশাতে হয়।

▶ কাজেই হাঁস যেগুলো আর ডিম দেবার উপযোগী নেই সেগুলো বাজারজাত করে পুনরায় নতুন করে হাস সংগ্রহ করা যেতে পারে। একই ভাবে উৎপাদিত হাঁসের বাচ্চা ও বাজারজাত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

আজকের পর্বের আলোচনা এখানেই শেষ করছি, দেখা হবে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ বিষয়ক অন্য কোন আলোচনায় অন্য ওকোন বিষয়, খামারিয়ান.কম এর সাথেই থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright Notice

কপি করা নিষিদ্ধ!